আর নয়
মাথা যন্ত্রনা ...
এমন কেউ নেই যার মাথা ব্যথা বা যন্ত্রনা হয়নি। প্রায়শ দেখা যায় মাথা ব্যথা হলেই আমরা প্যারাসিটামল খেয়ে মাথাব্যথা থেকে পরিত্রাণের আশা করে থাকি।
কিন্তু আমাদের জানা উচিত যে মাথাব্যথা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। টেনশন মাথাব্যথা বা টেনশন হেডেক হলো তার মধ্যে অন্যতম
• টেনশন হেডেক:
এটা এক ধরনের অস্বতিকর অবস্থা বা ব্যাথা এবং এটা মাথা আর ঘাড়ের দিকে হয়ে থাকে। পাশাপাশি মাংসপেশী শক্ত শক্ত অনুভব হতে পারে।
• হওয়ার কারণ:
এ ধরনের মাথাব্যথাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়। বয়সের দিক বিবেচনা করলে এটা যেকোন বয়সে হয়ে থাকে। তবে কৈশোর ও যৌবনকালে এটি সর্বাধিক হয়ে থাকে। টেনশন হেডেক সেসব রোগীদের ও হতে পারে যারা মাইগ্রেন সমস্যায় ভুগছেন। এ ধরনের মাথাব্যথায় অন্যতম কারণ হলো মাথার চামড়া ও ঘাড়ের মাংসপেশী সঙ্কুচিত হওয়া।
সাধারণত মাংসপেশী সঙ্কুচিত হয়ে থাকে মাথায় আঘাত , বিষন্নতা বা অতিরিক্ত চাপের কারণে। দীর্ঘক্ষণ মাথা একপাশে হয়ে থাকলেও এ ধরনের যন্ত্রনা হতে পারে।
কিছু কিছু কাজ যেমন :
• টাইপিং করা
• কম্পিউটারের কাজ করা
• হাতের নিখুঁতভাবে কাজ
• অনুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করা
• খুব ঠান্ডা রুমে ঘুমানো
• ঘাড় ওয মাথা অস্বাভাবিক অবস্থায় রেখে ঘুমানো।
আলাদা কিছু কারন:
• ঠান্ডা এবং সর্দি হলে।
•চোখে অতিরিক্ত চাপে।
• ধূমপান।
• নাক বন্ধ থাকলে ।
• শারীরিক দুর্বলতা।
চিকিৎসা:
এর সঠিক পরিত্রাণের চাবিকাঠি হলো আপনার মাথাব্যথার আসল কারণটি জানা । কখন এবং কি জন্য আপনার এ যন্ত্রনা তা খেয়াল রাখুন এবং এ ব্যাথা কতক্ষন থাকছে তাও লক্ষ রাখুন। প্রয়োজনে এসব তথ্য ডায়েরিতে লিখে রাখুন।
দেখা গেছে কারোর ক্ষেত্রে গরম অথবা ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করলে এ ধরনের মাথা যন্ত্রনার মুক্তি মেলে।
টেনশন মুক্ত থাকতে চেষ্টা করুন এবং এই যন্ত্রনাকে গুডবাই বলুন।
ঔষধ:
এনএসএআইডি (NSAID) ঔষধ গ্রহন করা যেতে পারে। অনেকসময় আ্যন্টিডিপ্রেসেন্ট ঔষুধ ও ব্যাবহার করা যায়। মাংসপেশী প্রসারিত করে এমন ঔষুধ ও দেওয়া হয় রোগীকে।
কিছু প্রতিরোধমূলক টিপস:
• ঠান্ডা হেতু হলে উষ্ণ থাকুন।
• বালিশ চেন্জ করতে পারেন।
• সঠিক অবস্থানে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান।
• কাজ বা পড়াশোনার সময় দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থা পরিবর্তন করুন।
• রিল্যাক্স থাকুন এবং সুস্থ্য জীবন লাভ করুন।

No comments:
Post a Comment